শিল্প-সাহিত্যে আলোচনা-সমালোচনা-পর্যালোচনা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। তবে সব শিল্প-সাহিত্য নিয়ে আলোচনা হয় না। কিছু শিল্প-সাহিত্য সৃষ্টির পূর্বেই মরে যায়; তার কোনো ছাপ সমাজে থাকে না। সেরকম শিল্প-সাহিত্যের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়।

আকিমুন রহমান। কথাশিল্পী। স্পষ্টভাষী। স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটার চেতনা তাঁর সাহিত্য ভাবনায় প্রকাশ ঘটে। দৃঢ়চেতা অভিব্যক্তির কারণেই এমন সাহিত্যের দেখা পায় পাঠকসমাজ। ব্যক্তিমানুষটিকে যে বা যারা চেনেন, তাঁরা জানেন- এই মানুষটি কতোটা মানবিক, কতোটা স্বাপ্নিক।
কার লেখা বই নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা হচ্ছে, সেটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এর আগে তাঁর কোনো বই নিয়ে লেখার দুঃসাহস করিনি। এখনো বই পর্যালোচনা লিখছি- তা বলা কষ্টকর। বইটি পড়ার পর, যা মনকে আকৃষ্ট করেছে, চিন্তায় আঘাত করেছে- তা তুলে ধরার চেষ্টা বলা যেতে পারে।

‘সাক্ষী কেবল চৈত্রমাসের দিন’ বইটি শেষ করা সম্ভব হয়েছে। এটি উপন্যাস। এখানে নায়ক-নায়িকার চরিত্র নির্ণিত করা হয়েছে। তবুও কেন শেষ করা সম্ভব হলো- লিখছি। কারণ, উপন্যাসটির এতোটাই শক্ত গাঁথুনী, বিষয়বস্তু ও লিপিকৌশল এতো বেশি দৃঢ় যে, শেষ করতে যথেষ্ট ধীশক্তি লাগবে। হালকা আমেজে একেবারে শেষপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার কোনো পথ নেই। এটি একজন পাঠক হিসেবে আমার ব্যক্তিগত মত।

যে কোনো লেখায় শব্দের অপপ্রয়োগ, বাক্যের অতিপ্রয়োগের দিকে নজর দেওয়াটা একজন লেখকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এজন্য অনেক বেশি পাণ্ডিত্য সম্পন্ন জ্ঞান অর্জনও করতে হয় না। সাহিত্যিক কাণ্ডজ্ঞান থাকলেই সম্ভব। সে জায়গাটা অক্ষুণ্ন রেখেছেন আকিমুন রহমান। এখানে বই নিয়ে দু’চার কথা নয়, বরং একটি বই লিখতে গিয়ে কি কি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি সেটিও বলার চেষ্টা করছি। কারণ, পাঠক হিসেবে আমাদের সে দায় রয়েছে। লেখক ও তাঁর লেখনী নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করার।

অনেক ক্ষেত্রেই লেখকদের মধ্যে ভাষাজ্ঞান এবং ভাষার সঠিক প্রয়োগের দক্ষতা দেখা যায় না। যার ফলে একজন পাঠককে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। কেমন খটকা লাগে, একের পর এক অসুন্দর বিষয় সামনে চলে আসে!

আমরা উপন্যাস পড়ার আগে, এমনকি পড়ার সময়েও এর কলেবর নিয়েও চিন্তা করি। অনেক উপন্যাসই তাদের বিশালাকৃতির জন্য আমাদের ভয় পাইয়ে দেয়। আমরা সংশয়ী হয়ে উঠি। বাধাপ্রাপ্ত হই। কুঁকড়ে যাই। পড়ার আগেই এড়িয়ে যাই।

যা-ই হোক, উপন্যাস তো জীবনের আলেখ্য। সমাজে ব্যক্তি মানুষের জীবনের নানা সংকট, ঘাত-প্রতিঘাত, আবেগ-উৎকণ্ঠা, ভালো-মন্দ উপজীব্য হয়ে উঠে উপন্যাসের। যেখানে থাকে একটি সমাজ চিত্র। প্রতিটি মানুষের জীবনই এক একটি উপন্যাস। একটি আদর্শ উপন্যাসের ক্ষেত্রে আমরা এমনটাই প্রত্যাশা করতে পারি।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘চন্দ্রনাথ’ উপন্যাসে লিখেছিলেন, ‘মানুষের দীর্ঘ-জীবনে তাকে অনেক পা চলতে হয়, দীর্ঘ পথটির কোথাও কাদা, কোথাও পিছল, কোথাও উঁচু-নীচু থাকে, তাই লোকের পদস্থলন হয়; তারা কিন্তু সে কথা বলে না, শুধু পরের কথা বলে। পরের দোষ, পরের লজ্জ্বার কথা চীৎকার করে বলে, সে শুধু আপনার দোষটুকু গোপনে ঠেকে ফেলবার জন্যই।’ এরকম দীর্ঘ-জীবন নিয়েই একটি উপন্যাস ‘সাক্ষী কেবল চৈত্রমাসের দিন’।

হাজার বছরের সাহিত্যের ইতিহাস পড়তে গিয়ে যেমন দূর কোনো এক দেশে চলে যেতে হয়। কোনো এক গ্রামে। তখনকার না-দেখা কঠিন জীবন-যাপন, দিনগুলো চোখের সামনে ভাসতে থাকে; আর বারবার চিন্তার কোণে ভাসতে থাকে এরপর কী ঘটেছিলো? এ উপন্যাসটিও ঠিক এরকম। কেমন ঘোরলাগা, অদ্ভুত অনুভূতি। এরপর। তারপর। কী ঘটলো! এভাবেই কাহিনি এগিয়েছে। চিরায়ত প্রেমের আখ্যান এবং প্রেমের চরিত্রগুলোকে এত নিরেটভাবে সাজানো হয়েছে। মনে হবে, হ্যাঁ সত্যিই তো। আমি এরকম শুনেছি। সময় বদলেছে। প্রেম, ভালোবাসা, স্নেহ-মমতায় ভিন্নতা এসেছে; কিন্তু ওই যে প্রেমাবেগ, তা তো মানুষ ভুলেনি। পুঁজিবাদের আগ্রাসনে সবকিছু যখন নষ্টদের দখলে, তখনো মানুষ বলে ‘আগের প্রেম কত্ত সুন্দর ছিলো…!’ এ উপন্যাস পড়তে গিয়ে পাঠকের বারবার ঠিক একরম অনুভূতিই হবে।

‘সাক্ষী কেবল চৈত্রমাসের দিন’ এক চিরায়ত প্রেমের গল্প। নিখাদ প্রেম। এখানে স্বার্থ রয়েছে; সে স্বার্থ প্রেমঘটিত। প্রেম-বিরহ, মিলনের আকাঙ্ক্ষা এবং দুর্যোগ-দুর্ঘটনা পাঠককে আকৃষ্ট করবে, আন্দোলিত করবে। হৃদয়ে নতুন করে প্রেমাবেগ তৈরি করবে। বর্তমান থেকে অতীতের দিকে ফিরে তাকানোর যে সৌন্দর্যবোধ তা এরকম একটি উপন্যাস পড়লেই বোঝা যায়। যদিও লেখক এই উপন্যাসটিকে প্রেমাখ্যানের প্রথম ভাগ বলেছেন; ‘আদি পর্ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

দেওভোগ গ্রাম। নিরিবিলি। নিরাছাড়া গ্রাম। শত বছর আগের কথা। নায়ক ইউসুফ। নায়িকা জুলেখা। তীব্র আবেগ। শব্দের পরতে পরতে প্রেম। লেখক উপন্যাসের শুরুটা করেছেন শত বছর আগে থেকে। এটি চাট্টিখানি কথা নয়। এখন, এসময়ে বসে শত বছর পূর্বের ঘটনা বর্ণনা করা, তা আবার পাঠকমহলে রীতিমতো সাড়া ফেলা- সত্যিই বিস্ময়কর ঘটনা।

চৈত্র মাস। ভর দুপুর। তীব্র দাবদাহ। গ্রামের আদি পিতারা চৈত্রমাসের ভর দুপুর থেকে তাদের বংশধরদের সাবধান করে গিয়েছিলেন- ‘চৈত্রমাসের দুপুরের কালরে কোনো অবস্থাতেই হালকাভাবে নিবা না।’ এই কথা বলে। কারণ এই সময়ে ‘আসমানে-জমিনে কী সব জানি বান-বাতাসের আনাগোনা চলে।’

গ্রামবাংলার এরকম হাজারটা প্রবাদ আজও প্রমাণিত সত্য। এত তথ্য-প্রযুক্তি, উন্নয়নের মাঝেও প্রবাদগুলো অক্ষুণ্ন রয়েছে। উপন্যাসে লেখক দেখিয়েছেন, আদি পিতাদের চৈত্র মাসের ভর দুপুর নিয়ে আশঙ্কা ছিল, তা সত্যে রূপ নিয়েছে।
জমিদারবাড়ির পুকুর। টলটলা জল। সেই পুকুরে গোসল করতে গিয়ে উপন্যাসের নায়িকা জুলেখা নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। আশঙ্কা বাস্তবে রূপ নেয়। এরকম পৌরাণিক কাহিনি কম শুনিনি। এ কারণে উপন্যাস পড়ে অবাস্তব মনে হয়নি। কিংবা অপ্রাসঙ্গিক ভাবা যায়নি। বাস্তবতার নিরিখে, মানুষের ভেতরে সুপ্ত চিন্তাকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন লেখক।

জমিদারবাড়ির পুকুরে ডুবে দেওভোগ জমিদারের বিধবা স্ত্রীও মারা যায়। এরপর জুলেখা। উপন্যাসের পৃষ্ঠা উল্টাতে উল্টাতে জানা যায় কিশোরী জুলেখার প্রতি ইউসুফের একপ্রকার অপ্রকাশিত প্রেম ছিল। টুকরো টুকরো ঘটনা। কাছে টানার ফন্দি। নানা ঘটনা তাদেরকে আরো কাছে টেনে নেয়। ভালোলাগা। প্রেমে রূপ নিয়ে পাত্র-পাত্রীদের মনের অজান্তেই। যেমনটা আমরা বলে থাকি। কবে, কখন প্রেমে পড়েছি বলা দায়! উপন্যাসের চরিত্রকে এজন্যই অনেক বেশি বাস্তবসম্মত মনে হয়েছে। যেটি আমাদের অনেক সাহিত্যিকদের দুর্বলতা। তারা পাঠকের ভেতরকে নাড়া দিতে পারেন না।

এত প্রেম। প্রেমের তীব্রতা টের পাওয়া যায়, যখন জুলেখা নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ইউসুফের স্মৃতিকাতরতা দেখে প্রেমের তীব্রতা আঁচ করা যায়। জুলেখার নিরুদ্দেশকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না ইউসুফ। হাজারটা উপায়ে খুঁজতে থাকে জুলেখাকে পাওয়ার; কিন্তু তার কোনো হদিস নেই।

কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজ। শত বছর পূর্বে এর বাইরে আশা করাও অন্যায়। মসজিদের ইমামের নানান কথা। জাদু-টোনা করে জুলেখাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে আশঙ্কা পোষণ। এভাবেই উপন্যাস গতি পায়। এরপর কী; তারপর কী- এভাবেই শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে হয়েছে।

ইউসুফ আর মসজিদের ইমাম সাহেব মিলে খুঁজতে বের হন দূর শীতলক্ষ্যা নদীর কাছে। বিফলতা গ্রাস করে ইসসুফকে। সব চেষ্টা যেন বিফল হয়। যাদের প্রতি সন্দেহের তীর, জানা যায় ওই বছর সেই বাইদ্যার বহরই আসেনি। বিরহ পেয়ে বসে ইউসুফকে। এক পর্যায়ে ইউসুফ নিজেকে সঁপে দিতে চায় শীতলক্ষ্যার শান্ত জলে। অন্তরের ভেতর যে দহন তাকে পোড়াতে চায়।

ইউসুফ মিয়ার অন্তর পুড়তে থাকে। পুড়ে ছাই হতে থাকে প্রতিনিয়ত। গোপনে-আড়ালে পোড়ে। এটাই বুঝি প্রেমের বিশালত্ব। গভীর প্রেমের প্রকাশ। গভীর থেকে গভীরে প্রবেশ করার ইতিহাস তো আমরা ভুলেই গিয়েছি। এ রকম একটি উপন্যাস আবারও গভীর প্রেমে নিক্ষেপ করছে। যে বা যারা ধারণা করেই নিয়েছেন যে, প্রেম বলতে কিছু নেই! তাদের হতাশ করবে এ রকম একটি প্রেমের উপন্যাস। দেখাবে জ্বলজ্বল প্রেমের ইতিহাস।
এক তরফা প্রেমও ব্যক্তিকে কুরে কুরে নিঃশেষ করে দেয়! সেটি উপন্যাসে সুন্দর, সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। জুলেখাকে এক ঝলক দেখার যে আকুতি সেটি হয়তো কাঁদাবে, নয়তো কিয়ৎক্ষণের জন্য স্তব্ধ করে দিবে- যদি ভেতরে প্রেম বলে অবশিষ্ট কিছু থাকে!

‘সাক্ষী কেবল চৈত্রমাসের দিন’ উপন্যাসে সাহিত্যিক আকিমুন রহমান বলেছেন, ‘কোন গহন দূরদেশের একা ও সরল, ভীরু ও কুণ্ঠিত এক বেদনার গল্প। এটি মনুষ্য-অন্তরের গল্প যতোটা, যতোটা তা লৌকিক সমাজ-সংসারের গল্প; ততোটাই এটি এক অলৌকিক প্রেম-পরস্তাব-কথা।’ এই বেদনার গল্পই মানুষের গল্প। বেদনাহীন জীবনের ক’জনেরইবা আছে! আদৌ আছে কি! বেদনার রঙ ভিন্ন। আকার ভিন্ন; কিন্তু বেদনা সে তো চিরসত্য।

এবার ভিন্ন মোড়। জুলেখাকে সঁপে দেওয়া হয়েছে অদৃশ্য নিয়তির হাতে। ইউসুফ মিয়ার কাহিনি এগিয়ে নিয়েছেন আকিুমন রহমান। মোড় ঘোরানোর কায়দা বেশ প্রলুব্ধ করেছে আমাকে। ইউসুফ মিয়ার শীতলক্ষ্যার জলে ডুবে যাওয়ার আশা পূরণ হলো না। তার পরানের সখী জুলেখাকে না পাওয়ার বেদনার গল্প বলতে থাকে।
ইউসুফ প্রচণ্ড জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়ে। গুটিবসন্ত তাকে গ্রাস করে। শত বছর পূর্বে এ রোগটির ভয়াবহতা আমরা ইতিহাস থেকে জানি। সর্বনাশা রোগ। নানান জনের নানান কথা। কারো কারো ধারণা- এটি প্রেমরোগ! হয়তো জুলেখার শোকেই এ রকম রোগে আক্রান্ত হয়েছে ইউসুফ। কী প্রেমের আকুতিরে! বাহ্! চমৎকারভাবে সাজিয়েছেন ঔপন্যাসিক।

ইউসুফের মা ধারণা করেন জুলেখার প্রেম তার ছেলেকে নির্বাক করে ফেলেছে। জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে। না-বলা প্রেম কত শক্তভাবে, দৃঢ়ভাবে ছড়িয়ে যেতে পারে তা উপন্যাসটিতে স্পষ্টভাবেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি লেখকের ভিন্নতা। লেখকের লেখার যে আলাদা স্টাইল রয়েছে, তা এ রকম একটি প্রেমের আখ্যান পড়লেই ধারণা করা যায়। কী বৈঠকী ঢং গদ্যের! উত্তেজনাকে ধারাবাহিকভাবে ধরে রাখা দুঃসাধ্য কাজ, যে কাজটি সফলভাবেই সম্পন্ন করা হয়েছে।
ত্রিশটি ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে উপন্যাসটিকে ভাগ করে সাজানো হয়েছে। যেটি পাঠককে আরো বেশি সহজে এর গভীরে টানবে। এটি অসমাপ্ত প্রেমের আখ্যান। শেষ হয়েও শেষ না হওয়ার গল্প।

ইউসুফ মিয়া হয়তো আবারও দাঁড়াবে দেওভোগ গ্রামের মুখোমুখি। শুরু করবে নিত্যজীবন। আগের মতো নয়। কোনো জীবনই আগের মতো থাকে না। তবে থেমেও থাকে না। নিজস্ব গতিতে এগোয়। কখনো ধীরে, কখনো প্রবলবেগে। ইউসুফ মিয়াদের জীবনও সে রকম। খোঁড়াবে। চলবে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলাকেও তো বেঁচে থাকা বলে! সেরকমই হয়তো চলবে! একদিন আর চোখ ভিজবে না। চোখের কোণ ভিজে উঠার শক্তি থাকবে না।

খরখরা। খটখটে। জীর্ণশীর্ণ। জীবন ঠিক এমনই! যে বিশ্বাস, আস্থা ভেতরে গেঁথে ছিল- জুলেখাকে খুঁজে পাওয়া যাবে, সেটি আর অবশিষ্ট থাকবে না। ভুলে যাবে। ভুলতে বাধ্য হবে। এটিই বুঝি জীবন!

জীবনে এতো নির্মমতা থাকে কেন? অপেক্ষারও তো শেষ থাকে, সমাপ্তি থাকে! সংসার-সমাজ-নিয়তির কবলে পড়ে কীভাবে এক ফুৎকারে আশা ধূলিসাৎ হয়ে যায়, তার আভাস পাওয়ার মধ্য দিয়েই উপন্যাসের ইতি ঘটে।

বইটি প্রকাশ করেছে, খড়িমাটি। প্রকাশকাল : ২০১৬।

 

  • পর্যালোচক : লাবনী মণ্ডল, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, প্রান্তবার্তা